প্রবাসী আলীনগর ইউনিয়ন সমিতি ইউকে এলাকার দুস্থদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে : মামুন                 পবিত্র মাহে রমজান রোববার থেকে                 বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ’র শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে হাকালুকি হাওরবাসীর মধ্যে ত্রাণ বিতরণ                 ফেসবুকে ছবি নিয়ে অনৈতিক ওস্তাদিপনা                 চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশের ইতিহাস                 গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণ চ্যাম্পিয়ান লীগ’র ফাইনাল অনুষ্ঠিত                 মিথ্যা মামলায় আমাকে জেল খাটানো হয়েছে :সংবাদ সম্মেলনে ইটালী প্রবাসী সুলেমানের অভিযোগ                
সর্বশেষ:

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ

: বিয়ানীবাজার কন্ঠ
Published: 11 05 2017     Thursday   ||   Updated: 11 05 2017     Thursday
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অবৈধ

বিয়ানীবাজারকণ।ট ডেস্ক  ::

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট-২০০৯) ১১টি ধারা ও উপধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া তিন রিটকারীর সাজা অবৈধ ঘোষণা ও জরিমানা বাতিল করেছেন আদালত।

বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ-সংক্রান্ত তিনটি রিটের শুনানি শেষে রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হাসান এম এস আজিম। রাজউকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন।

হাসান এম এস আজিম বলেন, এ রায়ের ফলে এখন থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত (মোবাইল কোর্ট) পরিচালনা করা যাবে না। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য সরকারকে নতুন করে আইন তৈরি করতে হবে। এ আইন হতে হবে সংবিধান ও মাসদার হোসেন মামলার সঙ্গে সমন্বয় করে।

আসছে রমজান মাসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিষয়ে কী হবে জানতে চাইলে হাসান এম এস আজিম বলেন, সরকার যেকোনো জায়গায় আদালত বসাতে পারেন। সরকার বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দিয়েও এটি পরিচালনা করতে পারবেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর এসথেটিক প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খানকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান তিনি। এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট-২০০৯) কয়েকটি ধারা ও উপধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ১১ অক্টোবর কামারুজ্জামান হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে রিট আবেদনকারীর (কামরুজ্জামান) সাজা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি সাজার আদেশ স্থগিত করা হয়।

জানা গেছে, ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০১১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর টয়েনবি সার্কুলার রোডে অবস্থিত এক বাড়ির মালিক মো. মজিবুর রহমানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। আইনের বিধান ও অর্থ ফেরতের নির্দেশনা চেয়ে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর রিট করেন মজিবুর। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই দিন হাইকোর্ট রুলসহ সাজার আদেশ স্থগিত করেন।

এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের কয়েকটি বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১২ সালে ২ মে দিনাজপুরের বেকারি মালিকদের পক্ষে মো. সাইফুল্লাহসহ ১৭ জন আরেকটি রিট করেন। এতে বেকারিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ক্ষেত্রে খাদ্য বিশেষজ্ঞ ও পরীক্ষার জন্য যন্ত্রপাতি সঙ্গে রেখে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চাওয়া হয়। শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৮ মে হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।

Share Button
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •   
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



Share Button
May 2017
S S M T W T F
« Apr    
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  

devolop web-it-home, 2017